বসতি কাকে বলে? বাংলাদেশের গ্রামীণ বসতীর শ্রেণীবিভাগ বর্ণনা

প্রিয় পাঠক, বসতি কাকে বলে? বাংলাদেশের গ্রামীণ বসতীর শ্রেণীবিভাগ সম্পর্কিত বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়ার জন্য খুব আগ্রহী, কোথায় নির্ভরযোগ্য তথ্য পাবেন এই নিয়ে চিন্তিত? তাহলে এবার সঠিক জায়গায় এসেছেন। আপনার জন্য এই প্রতিবেদনটি অত্যন্ত প্রয়োজন।

বাংলাদেশের গ্রামীণ বসতি

এই প্রতিবেদনে বসতি কাকে বলে, বাংলাদেশের গ্রামীণ বসতির শ্রেণীবিভাগ, ও বন্টন, বিক্ষিপ্ত বসতি, রৈখিক বসতি, সন্নিবিষ্ট বসতি, সুসংবদ্ধ বসতি, বিচ্ছিন্ন বসতির বিন্যাস, বন্টন, বৈশিষ্ট্য সহ আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

ভূমিকা

মানুষের যে কয়টি মৌলিক চাহিদা রয়েছে তার মধ্যে বাসস্থান অন্যতম। সাধারণত বসতি কোন ভৌগোলিক এককের সাংস্কৃতির চিহ্ন বহন করে। বসতির উপকরণগুলো হল-জনসংখ্যা, কাঠামো, আবাস সংলগ্ন ভূ-ভাগ, জলাশয় ও পানীয় জলের উৎসস্থল, সংযোগপথ ও যানবাহন প্রভৃতি। সাধারণত কোন ভৌগোলিক এককে বা পরিসরে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার উপর ভিত্তি করে মানুষ বা কোন জনগোষ্ঠী ঘরবাড়ি নির্মাণ করে আবাসিক ভাবে জীবন-যাপন করলে তাকে জনপদ বা জনবসতি বলে। সাধারণত প্রাকৃতিক পরিবেশ দ্বারা বসতির ধরন ও প্রকৃতি নির্ধারণ হয়।

বসতির সংজ্ঞা (Definition of Rural Settlement)

বসতির সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বিভিন্ন ভূগোলবিদ বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করেছেন। নিম্নে কয়েকটি বিশিষ্ট ভূগোলবিদের সংজ্ঞা উল্লেখ করা হলো-

বিখ্যাত ভূগোলবিদ 'স্মিথ' বসতির সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছেন," স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য তৈরি আবাসস্থল ই বসতি "। তিনি এ বিষয়ে আরো উল্লেখ করেছেন যে, একক আবাসস্থল থেকে গ্রাম, এমনকি মহানগরী ও বসতির আওতাভুক্ত হবে।

'স্টোন' এর মতে," ভূমির সাথে সংযুক্ত মানব গোষ্ঠীর ঘরবাড়ির বিন্যাসকে জনপদ বা বসতি বলে "।

'বুকানন' এর মতে," বসতি বলতে এক বা একাধিক বাসগৃহ, রাস্তাঘাট, জমি, পার্ক, খোলাস্থান এবং বাসগৃহের পার্শ্ববর্তী সকল নির্মাণ অবকাঠামোকে বোঝায় "।

বাংলাদেশের গ্রামীণ বসতির বৈশিষ্ট্য (Major Characteristic of Rural Settlement in Bangladesh)

বাংলাদেশের গ্রামীণ বসতির নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে। নিম্নে গ্রামীণ বসতির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য গুলো উল্লেখ করা হলো-
  • গ্রামীণ বসতির অধিকাংশ মানুষ প্রাথমিক পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত,
  • এ বসতির ঘরবাড়ি সুবিধা মত স্থানে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে ওঠে,
  • সাধারণত ঘরবাড়ি নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে তৈরি,
  • গ্রামীণ বসতির অধিকাংশ বাড়ি কাঁচা এবং পাকা বাড়ির সংখ্যা খুবই কম,
  • গ্রামীণ বসতির অধিকাংশ রাস্তা কাঁচা এবং আধাপাকা,
  • সাধারণত কৃষি জমির নিকটে উঁচু জায়গায় বাড়ি ঘর গুলো তৈরি করা হয়,
  • অনেক গ্রামীণ বসতিতে বিদ্যুৎ সংযোগ নাই,
  • গ্রামীণ বসতির অর্থনীতি প্রধানত কৃষি ভিত্তিক,
  • এ বসতির মানুষেরা পানীয় জল ব্যতীত অন্যান্য কাজের জন্য পুকুর বা নদীর পানি ব্যবহার করে,
  • গ্রামীণ বসতির দরিদ্র লোকের সংখ্যা বেশি,
  • গ্রামীণ বসতির মানুষ অশিক্ষিত বা কম শিক্ষিত, ইত্যাদি।

বাংলাদেশের গ্রামীণ বসতির শ্রেণীবিভাগ ও বন্টন (Distribution and Classification of Rural Settlement in Bangladesh)

সাধারণত যে বসতির অধিকাংশ মানুষ প্রাথমিক পর্যায়ের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত থাকে তাকে গ্রামীণ বসতি বলে। গ্রামীণ বসতির অধিবাসীরা কৃষিকার্য, মৎস্য চাষ ও শিকার, পশু ও হাঁস মুরগি পালন প্রভৃতি অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত থাকে। অধ্যাপক আঃ বাকী ও অন্যান্য ভূগোলবিদদের শ্রেণীবিভাগ অনুসারে বাংলাদেশের গ্রামীণ বসতিকে ৫ টি শ্রেণীতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১। বিক্ষিপ্ত বসতি (Dispersed Settlement),
২। রৈখিক বা সারিবদ্ধ বসতি (Linear Settlement),
৩। সন্নিবিষ্ট বা পুঞ্জিভূত বসতি (Agglomerated Settlement),
৪। সুসংবদ্ধ বা অনুকেন্দ্রিক বসতি (Clustered Settlement),
৫। বিচ্ছিন্ন বসতি (Scattered Settlement)।

১। বিক্ষিপ্ত বসতি (Dispersed Settlement)

সাধারণত কৃষি জমি সংলগ্ন বিক্ষিপ্তভাবে ২/৩ টি ঘরের সমষ্টি নিয়ে যে বসতি গড়ে ওঠে তাকে বিক্ষিপ্ত বসতি বলে। সাধারণত এই বসতিতে ২ বা ৩ টি পরিবার একসাথে বসবাস করে এবং পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৬/৭ জন হয়ে থাকে। পরিবারের সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে বসতভিটা সম্প্রসারণ করা হয়। পরিবারের সন্তানেরা বড় হলে পৃথক পরিবার গঠন করে নিকটস্থ উচু ভূমিতে নতুন বাড়ি তৈরি করে। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া বাংলাদেশের সর্বত্র প্লাবন সমভূমিতে বিক্ষিপ্ত বসতি পরিলক্ষিত হয়। দেশে দিন দিন বিক্ষিপ্ত বসতির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিক্ষিপ্ত বসতির বন্টন

বাংলাদেশের প্লাবন সমভূমিতে বিক্ষিপ্ত বসতি গড়ে উঠলেও দেশের উত্তরবঙ্গের রংপুর-দিনাজপুর এবং রাজশাহী-পাবনা অঞ্চলে বিক্ষিপ্ত বসতির প্রাধান্য বেশি। এছাড়া দেশের দক্ষিণাংশে বিশেষ করে নোয়াখালী, বরিশাল অঞ্চলে বিক্ষিপ্ত বসতির প্রাধান্য রয়েছে।

বিক্ষিপ্ত বসতির বৈশিষ্ট্য

বিক্ষিপ্ত বসতির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য গুলো নিম্নে উল্লেখ করা হলো-
  • বিক্ষিপ্ত বসতি সাধারণত কৃষি জমি দ্বারা পরিবেষ্টিত,
  • এ ধরনের বসতি সমূহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিন্যস্ত,
  • সাধারণত একই স্থানে ৬ /৭ টি পরিবার বাস করে,
  • এ ধরনের বসতির লোকেরা খুব সহজে কৃষি খামার বা ক্ষেত দেখাশোনা করতে পারে,
  • বিক্ষিপ্ত বসতির লোকেরা প্রতিবেশীর সাহায্য কম পায়,
  • এ বসতির জমির ফসল সংগ্রহ করা সহজ,
  • বিক্ষিপ্ত বসতির প্রতিবেশীদের সাথে সামাজিক সম্পর্ক কম থাকে,ইত্যাদি।

২। রৈখিক বা সারিবদ্ধ বসতি (Linear Settlement)

সাধারণত নদী বা খালের পাড় বরাবর পাশাপাশি সারিবদ্ধভাবে যে বসতি গড়ে ওঠে তাকে সারিবদ্ধ বসতি বলে। যেখানে নদী ভাঙ্গন নেই এবং নদীর পাড় উঁচু সেখানে এ ধরনের বসতি গড়ে ওঠে। এ ধরনের বসাতি কখনো কখনো ৫/৭ মাইল পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে। তবে এই বিস্তারের ঘনত্ব সব স্থানে সমান নয়। কোথাও কোথাও ফাঁকা থাকতে পারে।

রৈখিক বা সারিবদ্ধ বসতির বন্টন

নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রায় সব নদীর পাড়ে ও কিছু কিছু মহাসড়কের পাশে সারিবদ্ধ বসতি দেখা যায়। চট্টগ্রামের জলদি-সীতাকুণ্ড পাহাড়িয়া অঞ্চলে সারিবদ্ধ বসতি অনেক দীর্ঘ। সিলেটের চা বাগান এলাকায় শ্রমিকদের বসতি পাহাড়ের পাদদেশে ও রাস্তার দুই পাশে পরিকল্পিত ও সারিবদ্ধভাবে গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের নদীর পাড়ে সারিবদ্ধ বসতি গড়ে উঠেছে। যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের দুই পাশে সারিবদ্ধ বসতি গড়ে উঠেছে।

রৌখিক বা সারিবদ্ধ বসতির বৈশিষ্ট্য

রৈখিক বা সারিবদ্ধ বসতির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য সমূহ গুলো নিম্নে উল্লেখ করা হলো। যথা-
  • রৈখিক বা সারিবদ্ধ বসতি সাধারণত নদী বা সড়কের দুই পাশে গড়ে ওঠে,
  • এ বসতি পাশাপাশি অবস্থিত হয়ে একটি অবিচ্ছিন্ন মালার মত সৃষ্টি হয়,
  • এ বসতি একাধারে ৫/৭ মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে,
  • বিভিন্ন কাজে এ বসতির লোকেরা নদীর পানি বেশি ব্যবহার করে,
  • সাধারণত যাতায়াত ও মালামাল পরিবহনে নদীপথ এ বসতির লোকেরা বেশি ব্যবহার করে,ইত্যাদি।

৩। সন্নিবিষ্ট বা পুঞ্জিভূত বসতি (Agglomerated Settlement)

সাধারণত বিভিন্ন প্রাকৃতিক বা সামাজিক কারণে অনেকগুলো ঘরবাড়ি পরস্পর খুব কাছাকাছি অবস্থিত হয়ে যে মানববসতি গড়ে ওঠে তাকে সন্নিবিষ্ট বা পুঞ্জিভূত বসতি বলে। প্রাচীনকালে বন্য জীবজন্তু থেকে আত্মরক্ষার জন্য মানুষ পুঞ্জিভূত বসতি গড়ে তুলেছিল। তবে আধুনিক যুগে সামাজিক ও ধর্মীয় কারণে মানুষ পঞ্জিভূত বসতি গড়ে তুলেছে।

সন্নিবিষ্ট বা পুঞ্জিভূত বসতির বন্টন

বাংলাদেশের বরেন্দ্রভূমি অঞ্চল, মধুপুর চত্বর অঞ্চল এবং কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর জেলার কিছু এলাকায় পঞ্জিবিত বসতি দেখা যায়। এসব অঞ্চলের মৃত্তিকা মোটামুটি উর্বর তবে, কৃষি কাজের জন্য সেচের প্রয়োজন হয়। প্রাচীনকালে মানুষ বন্য জীবজন্তুর আক্রমণ থেকে আত্মরক্ষার জন্য সুন্নিিষ্ট বা পুঞ্জিভূত বসতি গড়ে তুলেছিল কিন্তু আধুনিক যুগে মানুষ বিভিন্ন নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দলের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, চোর, ডাকাত, সন্ত্রাসীদের আক্রমণ ও হামলা থেকে রক্ষার নিমিত্তে এমন বসতি গড়ে তুলতে উৎসাহিত হয়েছে।

সন্নিবিষ্ট বা পুঞ্জিভূত বসতির বৈশিষ্ট্য

সন্ধিবিষ্ট বা পুঞ্জিভূত বসতির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য সমূহ গুলো নিম্নে উল্লেখ করা হলো। যথা-
  • এ বসতি আকার ছোট বা বড় উভয় হতে পারে,
  • প্রাচীনকালে বন্যপ্রাণীর আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য এ বসতি গড়ে ওঠেছিল,
  • আধুনিক যুগে সামাজিক ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড থেকে রক্ষার জন্য এমন বসতি করে উঠেছে,
  • এ বসতির লোকেরা প্রতিবেশীর সহযোগিতা বেশি পায়,
  • এ বসতির লোকদের মধ্যে সামাজিক বন্ধন বেশি,
  • বরেন্দ্রভূমি অঞ্চলে বন্যা থেকে রক্ষার জন্য এমন বসতি করে উঠেছে, ইত্যাদি।

৪। সুসংবদ্ধ বা অনুকেন্দ্রিক বসতি (Clustered Settlement)

সাধারণত ভূ-প্রাকৃতিক কারণে এমন বসতি গড়ে ওঠে। যেখানে ভূমিরূপ বেশি উঁচু-নিচু সেখানকার মানুষেরা অপেক্ষাকৃত উঁচু স্থানে একত্রিত হয়ে সারিবদ্ধভাবে যে বসতি গড়ে তোলে তাকে সুসংবদ্ধ বা অনুকেন্দ্রিক বসতি বলে। বিল বা হাওর এলাকায় বর্ষাকালে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায় এবং জলাভূমির আশেপাশের এলাকার প্লাবিত হয়। এমন পরিবেশ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য গ্রামের অধিবাসীরা জলাভূমির নিকটে অপেক্ষৃত উঁচু স্থানে সঙ্ঘবদ্ধ ভাবে বসতি নির্মাণ করে।

সুসংবদ্ধ বা অনুকেন্দ্রিক বসতির বন্টন

বাংলাদেশের সুসংবদ্ধ বা অনুকেন্দ্রিক বসতির প্রাধান্য কম। তবে সাবেক ময়মনসিংহ জেলার জলাভূমি এলাকায় সুসংবদ্ধ বসতি দেখা যায়। সিলেট জেলার হাকালুকি ও হাইল হাওড় অঞ্চলে, বৃহত্তর রাজশাহী জেলার চলনবিল এলাকা, ঢাকা জেলার আড়িয়াল বিল ও কেরানীগঞ্জ থানার বিল এলাকা, বাঘেরহাট ও যশোর জেলার বিল এলাকায় সুসংবদ্ধ বসতি গড়ে উঠেছে।

সুসংবদ্ধ বা অনুকেন্দ্রিক বসতির বৈশিষ্ট্য

বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে সুসংবদ্ধ বা অনুকেন্দ্রিক বসতির বৈশিষ্ট্য সমূহ গুলোর র মধ্যে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য গুলো উল্লেখ করা হলো-
  • এ বসতি বিশেষ কোন সুবিধার কারণে গড়ে ওঠে,
  • বাংলাদেশের সাধারণত জলাভূমির পাশে এমন বসতি গড়ে উঠতে দেখা যায়,
  • এ বসতিতে সাধারণত একটি উঠান থাকে,
  • পুঞ্জিভূত বসতির আরেকটি রূপ হলো সুসংবদ্ধ বসতি,
  • এ বসতের ঘরবাড়ি খুব কাছাকাছি থাকে, ইত্যাদি।

৫। বিচ্ছিন্ন বসতি (Scattered Settlement)

সাধারণত কয়েকটি বাড়ির সমন্বয়ে বিচ্ছিন্নভাবে যে বসতি গড়ে ওঠে তাকে বিচ্ছিন্ন বসতি বলে। বিচ্ছিন্ন বসতিতে একটি বসতি হতে অপর বসতি বেশ দূরে অবস্থিত হয়ে থাকে।

বিচ্ছিন্ন বসতির বন্টন

বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম পাহাড়িয়া এলাকায় বিচ্ছিন্ন বসতি পরিলক্ষিত হয়। পাশাপাশি সিলেট ও চট্টগ্রামের চা বাগান এলাকায় এবং হালুয়াঘাট, রংপুর-দিনাজপুর সীমান্তবর্তী এলাকায় বিচ্ছিন্ন বসতি করে উঠেছে।

বিচ্ছিন্ন বসতির বৈশিষ্ট্য

নিম্নে বাংলাদেশের বিচ্ছিন্ন বসতির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য গুলো উল্লেখ করা হলো-
  • এ বসতির বাড়ি ঘরের নির্মাণ সামগ্রী নিম্নমানের,
  • এ বসতির মানুষের মধ্যে সামাজিক বোধ কম থাকে,
  • সাধারণত এ বসতির মানুষেরা নিঃসঙ্গ জীবন যাপন করে,
  • এ বসতির যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত নয়,
  • এ বসতির সমতল কৃষি জমি সাধারণত কম,
  • এ বসতির লোকেরা পর্যাপ্ত পানি ব্যবহারের সুবিধা পায় না, ইত্যাদি।

উপসংহার

আজকের এই প্রতিবেদনে বসতি কাকে বলে? বাংলাদেশের গ্রামীণ বসতির শ্রেণীবিভাগ এর বিস্তারিত বর্ণনা সমূহ উল্লেখ করা হয়েছে। আশা করছি এই বিষয়ে পরিপূর্ণ ধারণা দিতে সক্ষম হয়েছি। এই প্রতিবেদনটি তৈরি করতে বিভিন্ন বই পুস্তক এবং ওয়েবসাইট থেকে জ্ঞান আহরণ করে তৈরি করা হয়েছে। এখান থেকে কেউ উপকৃত হলে আমার এই প্রতিবেদনটি সার্থক হবে বলে মনে করি। এতক্ষণ ধরে এই প্রতিবেদনটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

Hasi Online IT নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url